কক্সবাজার টেকনাফ থানাধীন টেকনাফ সদর ইউনিয়নস্থ শিলবুনিয়াপাড়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ১৭.৫ কেজি গাঁজা উদ্ধারসহ একজন মাদক কারবারী র্যাব-১৫ কর্তৃক গ্রেফতার
১। র্যাব-১৫, কক্সবাজার দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে বদ্ধ পরিকর। দেশব্যাপী মাদকের বিস্তাররোধসহ সমাজে বিরাজমান নানাবিধ অপরাধ দমন ও অপরাধের সাথে জড়িত অপরাধীদের গ্রেফতারের লক্ষ্যে র্যাব-১৫ নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
২। এরই ধারাবাহিকতায় র্যাব-১৫, কক্সবাজার এর আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে, একজন মাদক ব্যবসায়ী কক্সবাজার জেলার টেকনাফ থানাধীন টেকনাফ সদর ইউনিয়নের ০৮নং ওয়ার্ড অন্তর্গত শিলবুনিয়া পাড়া এলাকার জনৈক আছিয়ার ০৩ রুম বিশিষ্ট পাকা ভাড়া বাড়ির ভিতর মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে অবস্থান করছে। উক্ত সংবাদের ভিত্তিতে গত ১০ জুন ২০২৪ তারিখ অনুমান ১৬.৩০ ঘটিকায় সিপিসি-১ টেকনাফ ক্যাম্পের একটি চৌকস আভিযানিক দল বর্ণিত স্থানে মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। বর্ণিত এলাকায় অভিযান পরিচালনাকালে র্যাবের উপস্থিতি বুঝতে পেরে কৌশলে পলায়নের চেষ্টাকালে মোঃ ফয়সাল নামে একজন মাদক কারবারীকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। পরবর্তীতে উপস্থিত স্বাক্ষীদের সম্মুখে বিধি মোতাবেক আটককৃত মাদক কারবারীর ভাড়া ঘর তল্লাশী করে প্লাস্টিকের পলিথিন দ্বারা মোড়ানো অবস্থায় সর্বমোট ১৭.৫ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয় ।
৩। গ্রেফতারকৃত মাদক কারবারীর বিস্তারিত পরিচয়-মোঃ ফয়সাল (৩০), পিতা-মৃত ফয়েজ আহমদ, মাতা-মদিনা খাতুন, বর্তমান সাং-শিলবুনিয়া পাড়া (জনৈক আছিয়ার ভাড়াটিয়া বাড়ি), ০৮নং ওয়ার্ড, টেকনাফ সদর ইউনিয়ন, থানা-টেকনাফ, জেলা-কক্সবাজার, স্থায়ী সাং-কালুর দোকান, ০৭নং পাহাড়তলী ইউনিয়ন, থানা-কক্সবাজার সদর, জেলা-কক্সবাজার বলে জানা যায়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত মাদক কারবারী দীর্ঘদিন ধরে গাঁজা ব্যবসার সাথে জড়িত। সে দীর্ঘদিন যাবৎ মাদকদ্রব্য গাঁজা টেকনাফ সীমান্তবর্তী এলাকা হতে অভিনব পন্থায় সংগ্রহ করে অধিক মুনাফার উদ্দেশ্যে কক্সবাজারসহ জেলার বিভিন্ন এলাকায় বিক্রয় করতো বলে জানা যায়।
৪। উদ্ধারকৃত আলামতসহ গ্রেফতারকৃত মাদক কারবারীর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণার্থে কক্সবাজার জেলার টেকনাফ মডেল থানায় লিখিত এজাহার দাখিল করা হয়েছে।
—–ধন্যবাদ—–