স্টাফ রিপোর্টার,ঈদগাঁও
ঈদগাঁও উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আবু তালেব গ্রামীণ জনপদে জনগনের ভালবাসায় সিক্ত। ভোটারদের ধারে ধারে টেলি ফোন প্রতীকের এই প্রার্থী। তালেব আওয়ামী রাজনৈতিক অঙ্গনের লড়াকু সৈনিকের একটি নাম। পোকখালীর গোমাতলী থেকে বেড়ে উঠা সন্তান।
তাঁর দীর্ঘ চল্লিশ বছরের রাজনৈতিক ক্যারিয়ার তাকে এই পর্যায়ে নিয়ে এসেছে। যোগ্যতা, সততা ন্যায়-নিষ্ঠা,রাজনৈতিক প্রজ্ঞা সর্বোপরি উচু মান সিকতা তাকে ঈদগাঁও উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি পদে অধিষ্ঠিত করে।
ঈদগাঁও কলেজ পরিচালনা পরিষদের সভাপতি হয়েছেন। সেই সাথে কক্সবাজার সদর উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতির দায়িত্বে ছিলেন, জেলা ছাত্রলীগ সাবেক সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক দায়িত্বেই ছিলেন। বিগত দিনে কক্সবাজার সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থী ছিলেন।
এমনি একজন নি:স্বার্থ জনদরদী এবং অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদকে অবহেলিত জনপদের আগামী দিনের অভিভাবক হিসেবে উপজেলার মত জন গুরুত্বপূর্ন দায়িত্বে বসার সুযোগ করে দেয়া দেশ প্রেমিক সকলের উচিত হবে বলে মনে করেছেন সাধারণ ভোটারেরা।
প্রাণের জনপদ ঈদগাঁওকে ঢেলে সাজাতে আবু তালেবের মতোই যোগ্য নেতার বিকল্প নেই। তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে কোন দলীয় নেতাকর্মী বা ভিন্ন দলের নেতাদের প্রতিও অসম্মান সূচক কথা বলেননি। কারো মনে কষ্টদায়ক আঘাত করেননি। সবার সাথে হাসিমুখে চলায় হচ্ছে তার একমাত্র সম্বল।
ঈদগাঁও উপজেলাধীন টেলিফোন প্রতীকে তাঁর নির্বাচনী প্রচার প্রচারণায় জনগনের ভালবাসায় সিক্ত হচ্ছেন। যেদিকে যান সেদিকে ভোটারদের ব্যাপক সাড়া পাচ্ছেন। নবীন ও প্রবীণ ভোটাররা জানান, একটি স্মার্ট উপজেলা গঠন বা সুন্দর
ঈদগাঁও সাজাতে আবু তালেবের পক্ষে সকলের সহযোগিতা একান্ত প্রয়োজন।
একদিনের সৃষ্টি নয়,হাজার বছর ধরে রাজনীতি মাঠে টিকে থাকার অপর এক নাম আবু তালেব। কর্মীসহ ভোটারদের ভালবাসায় সাহসী কতার এগিয়ে যান। ভোটের সমীকরণে অপরাপর প্রার্থীদের চেয়েও দলমত নির্বিশেষে নানান শ্রেণী পেশার মানুষের মাঝে টেলিফোন প্রতীকের আবু তালেবের নাম একধাপ এগিয়ে। প্রচারণাতেও পিছিয়ে নেই। দীর্ঘ তিন যুগের রাজপথের সেই শ্রম,ত্যাগ ও তিতিক্ষার সুফল পাওয়ার পথে….