
মোঃআব্দুস সবুর
(স্টাফ রিপোর্টার)ঃ
ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে ঈদ পুর:মিলনী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার ২ রা এপ্রিল বিকেলে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে ঈদ পুনঃমিলনী অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কেন্দ্রীয় মজলিশের সূরা সদস্য ও রংপুর বিভাগীয় টিম সদস্য জননেতা অধ্যাপক মাওলানা আব্দুল হাকিম।
অনুষ্ঠানে বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মো সরিফুল ইসলামের সঞ্চালনায় প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন ইসলামী ছাত্র শিবিরের কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক এছাত্র নেতা মু.সিবগাতুল্লাহ।
ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক মো:বেলাল উদ্দিন প্রধান, জেলা এসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি অধ্যক্ষ মোহাম্মদ কফিল উদ্দিন আহমেদ,ঠাকুরগাঁও সূরা ও কর্ম পরিষদের সদস্য মোহাম্মদ শাহজালাল জুয়েল, ইবনে সিনা ট্রাস্ট হেড অফিসের এজিএম আমিনুল ইসলাম, উপজেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি আব্দুর রশিদ মাষ্টার,শ্রমিক কল্যাণ বিভাগের উপজেলা সভাপতি মাওলানা মোহাম্মদ হায়দার আলী,দুওসুও ইউনিয়নের আমির মাওলানা মো:বসির উদ্দিন, জামায়াত নেতা ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান শেখ আইয়ুব আলী,চাড়োল ইউনিয়ন জামায়াতের আমির অধ্যাপক মাওলানা মুশফিকুর রহমান,
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহযোগী সংগঠন উপজেলা যুব বিভাগের সভাপতি মু সাইফুল ইসলাম , ঠাকুরগাঁও জেলা ও শহরের সভাপতি, লাহীড়ী উওর অঞ্চলের ছাত্র শিবিরের সভাপতি ও বালিয়াডাংগী দক্ষিণের সভাপতিসহ আরও অনেকই।
এসময় প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, আওমীলীগের দুঃশাসনের আমলে বিগত ১৬ বছর ধরে বিরোধীদল মতের নেতাকর্মীরা আনন্দ উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে ঈদ করতে পারেনি। কিন্তু আল্লাহর অশেষ রহমতে এবারের আমরা সকলে ভালো মতো ঈদ করতে পেরেছি এজন্য সকলে আমরা শুকরিয়া জ্ঞাপন করছি।
দীর্ঘ সিয়াম সাধনায় আমরা যে ত্যাগ ও সংযমের শিক্ষা লাভ করেছি তা যেন সবার ব্যক্তি জীবনে প্রতিফলন ঘটে।মাহে রমজানের আত্মশুদ্ধির মহান দীক্ষার মধ্য দিয়ে আসে পবিত্র ঈদ-উল ফিতরের আনন্দময় মুহূর্ত।সেই মুহূর্ত মুসলমানদের নিবিড় ভ্রাতৃত্ববোধ উদ্বুদ্ধ করে।তাই ইসলামের শ্বাশ্বত শিক্ষাই ধনী গরিব সবাই ভেদাভেদ ভুলে দেশকে আরো এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করছি।
এসময় বক্তারা আরও বলেন,
পবিত্র ঈদ-উল ফিতরের খুশি দেশ ও মানুষের ভাগ্য উন্নয়নের পক্ষে শপথ নিতে সকলের প্রতি আহবান জানান। দেশের সুবিধা বঞ্চিত এবং হতদরিদ্রদের প্রতি সহনশীল হই।
ঈদ-উল ফিতরের শিক্ষা থেকে আমাদের অঙ্গীকার হোক সকল হিংসা,বিদ্বেষ ও হানাহানি থেকে মুক্ত হয়ে ন্যায়, সাম্য, ঐক্য, ভ্রাতৃত্ব, সহানুভূতি, মানবতা ও মহামিলনের এক ঐক্যবদ্ধ ও ভালোবাসাপূর্ণ সমাজ এবং দেশ গঠনের জন্য একযোগে কাজ করা।